আমাদের প্রতিদিনের কর্মব্যাস্তজীবনের ভাবনায় থাকে শুধু শরীরের প্রতি যত্নের গল্প। অথচ, যেখানে বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি বা তার বেশি মানুষ বিভিন্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত সেই ব্রেইনের যত্নে আমরা কি করছি? ব্রেইনের সুস্থতা নিয়ে এ ভাবনা থেকেই ফারহাদ হক লিখেছেন ‘ব্রেইনের ব্যায়াম’ বইটি। অসাধারন বাংলা ভাষায় লিখা এ বইটি সম্পূর্ন বৈজ্ঞানিক ভাবে সাজানো যা বাংলাদেশের প্রথম পুর্নাঙ্গ ব্রেইন এক্সারসাইজ গাইড যেখানে আপনি পাবেন রঙ্গিন ইলাস্ট্রেশন, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও ফলপ্রসু অনুশীলনের সমন্বয়ে তৈরি প্রাকটিক্যাল ম্যানুয়াল। প্রতিটি অনুশীলনে রঙ্গিন চিত্রসহ ব্যাখ্যা থাকায় শিশু থেকে তরুন, কর্মজীবী কিংবা প্রবীণ সকলেই বিষয়গুলো খুব সহজেই আনন্দের সাথে বুঝতে পারবে। পাশাপাশি, পরিবারের সবাই অনুশীলনগুলো একসাথে খুব সহজেই করতে পারবে, যার ফলে স্ক্রিন নির্ভর জীবন ফিরে পাবে সতেজতা এবং স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের ঘাটতি ও বয়সজনিত মানসিক দূর্বলতা দূর করে ফোকাস, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, ও মানসিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে, আপনার পথচলা করবে আরো সহজ ও আরো সুন্দর।
বিশ্বের শীর্ষ নিউরো ট্রেইনারদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষিত বাংলাদেশের পথিকৃৎ সার্টিফাইড নিউরো ট্রেইনার ফারহাদ হক। কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট, নিউরোপ্লাস্টিসিটি এবং ব্রেইন এক্সারসাইজকে বৈজ্ঞানিক ও সহজ পদ্ধতিতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আন্তর্জাতিক ইমপ্যাক্ট স্টার্ট-আপ Brain Forward– যার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এবং যা বিশ্বের শতাধিক দেশে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।
তিনি বাংলাদেশের প্রথম Tony Buzan Licensed Instructor এবং দেশের একমাত্র Arbiter of Mind Mapping। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুলতে সচেষ্ট। শিক্ষাজীবনে ‘ও’ -লেভেল পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য তিনি লাভ করেন Jeffrey Cheah Foundation বৃত্তি এবং Sunway Cambridge Fellowship Centre-এ ‘এ’ -লেভেল সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অর্থনীতি ও ফরেনসিক অ্যাকাউন্টিংয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি Harvard Centre for Asia Leadership– এর একজন সম্মানিত অ্যালামনাই; নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে তাঁর সম্পৃক্ততা প্রশংসিত।
ফারহাদ হক বিশ্বাস করেন- সঠিক ব্রেইন এক্সারসাইজ ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের রূপান্তর ঘটাতে পারে। পাশাপাশি, তিনি এমন একটি জ্ঞাননির্ভর সমাজের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে মেধা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও ব্রেইন পাওয়ার হবে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি- এবং বাংলাদেশ হবে বৈশ্বিক মানের চিন্তাশক্তির এক উজ্জ্বল কেন্দ্র।